সোমবার, ২৬ নভেম্বর, ২০১৮

নানা কাহানী (ভূমিকা)

আমি, কবি, নানা আর শ্বশুর
একসাথে কাটে মোদের
সকাল সন্ধা দপুর।
শ্বশুরের দ্বীপ্ত ঘোষনা
পুঁজিবাদ মানি না।
একাএকা আর না
সবাই মিলে চল, বাজায় বাজনা।
পুঁজিবাদ-সমাজতন্ত্র ফন্ত্র বুঝি না,
প্রজাপতি আমার একমাত্র ভাবনা।
কবির চাই প্রজাপতি
আমরা হলাম ভগিরথী।
নদী স্থল আকাশ জল
প্রেম হলো কেন্দ্রস্থল,
প্রেম হয়ে যায় যখন তখন
নানার বড় উদার মন।
আমার চাই সুকেশী
পসলা শেষের নন্দীনী।
আভিভাবক মোদের
ঊর্মী আপা,
ব্যক্তিগত রিক্সা নিয়ে চলেন তিনি
একাএকা ।
তোদের জ্বালাই বাঁচি না
মুখ কেন শুকনা?
কতদিন কিছু খাসনা
চল চল গ্রীণফুডে চল
কী কী খাবি বল,তাড়াতাড়ি বল।
দেরি করে কাজ নাই
সিনেমা দেখি খায়দায়
পড়ালেখার টেনশন নাই ।

এটাই মুটামুটি ভূমিকা। কলেজ জীবন! কলেজ জীবনের নানা ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে “নানা কাহানী” ধারাবাহিক লিখবো আশা করি। অনেক ঘটনাবহুল সুন্দর-সুসময় দু’বছর। আমি, নানা, কবি, শ্বশুর বললে বন্ধুরা নিশ্চয় বুঝবে কাদের কথা বলছি। আমরাই মেন কেরেক্টার। সাথে অবশ্যই আমাদের অভিভাবক ঊর্মী আপা। যার মতো উদারমনা মানুষ এজীবনে কমই দেখেছি। সাথে বন্ধুরা তোমরা সবাই থাকবা আশাকরি।


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

কবিতা

প্রতিদিন কবিতা লিখতে বসে আমি তোমাকে এঁকে ফেলি।   তোমার ছবি তখন আমার সাথে কথা কয়। তখন মায়াপুরিবেলা ভাসতে আর ভাসাতে নেই কোন মানা,   ...