রবিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৮

অবণীরা ভালো থেকো!!

অবণী বাড়ী আছো?

উচ্চতর ডিগ্রি নিতে বিদেশে অবস্থানরত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও মোস্ট ওয়ান্টেড ব্যাচেলার বন্ধুর ফেসবুক ওয়ালে পোস্টটি পড়ে আমার মনে একটা ঝড় বয়ে গেল । ও কী তাহলে দেশে ? কবে ফিরলো ও ? তা দেশেই যদি হবি , তাহলে শুধু অবণীদের খোঁজ কেন? আমরা কী দোষ করলাম !

আমার এক কবি বন্ধু আছে । ভালো কবিতা লেখে । হৈমবতী হলো ওর কবিতার নায়িকা। একদিন আমি তাকে হঠাৎ ফোন দিয়ে বললাম , বন্ধু আমাকে তোমার হৈমবতীকে ধার দিবা ? আমার আবদার শুনে সে বলল, কেনো তোমর কী কবি হবার ইচ্ছা হয়েছে? আমি বললাম , তুমি বুঝলে কী করে ? ঐ যে তুমি আমার হৈমবতীকে চাচ্ছো । কিন্তুু বন্ধু হৈমবতীকেতো আমি দিতে পারবো না । 

তাহলে তুমি কেমন কবি হলে ? কবিরা না অত্যন্ত উদার হয়। তাদের কাছে যে কেউ কিছু চাইলেই না তারা দিয়ে দেয় । কবিদের সম্পর্কে তোমার ধারনা মিথ্যে না , তবে তাই বলে তুমি আমার লেখার অনুপ্রেরণা  দিয়ে দিতে বলবা? আর তাছাড়া ও একটা কাল্পনিক চরিত্র মাত্র,বাস্তব না । তোমাকে কবিতা লেখা লাগবে না,তুমি যা পার তা লেখ । 

তা বেশ, তাহলে বিষয়টা দাঁড়ালো তোমার হৈমবতীকে আমাকে দিবা না । তা না দাও কিন্তুু একটা কথা বলে রাখি, আমি কিন্তুু তোমার হৈমবতীর প্রেমে পড়েগেছি।ওকে একদিন একটু ছুঁয়ে দেখার সুযোগ দিও।হাহাহাহা ... কবি বন্ধুর হাঁসি , তুমি যে কী বল এসব!

কবির সাথে কথা শেষ হতে না হতেই আর এক জন বাস্তব হৈমর কথা মনে পড়ে গেল। ওর নাম ছিল রোজলিন। আদোর করে ওকে আমরা রোজ ডাকতাম। আমার সবচেয়ে কাছের বন্ধুর সাথে চুটিয়ে প্রেম করতো। আজ রোজ কী তোমার জন্য রোজ নিয়ে কলেজে এসেছিল? বলে-বলে খ্যাপাতাম আমাদের বন্ধুটিকে। ওর গল্প আর একদিন বলবো । আসলে ওর সাথে অনেক অলৌকিক বিষয় জড়িয়ে আছে তাই অলৌকিক নামে আর একটা লেখা লিখবো আর একদিন।

আসলে অবণী, হৈমবতী বা রোজ এরা আসলে কেউই মিথ্যে না আবার পুরোপুরি  বাস্তবও না কিংবা পরাবাস্তবও না। এরা সুখানুভূতি । ভালো থেকো অবণী । ভালো থেকো হৈমবতী, ভালো থেকো ।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

কবিতা

প্রতিদিন কবিতা লিখতে বসে আমি তোমাকে এঁকে ফেলি।   তোমার ছবি তখন আমার সাথে কথা কয়। তখন মায়াপুরিবেলা ভাসতে আর ভাসাতে নেই কোন মানা,   ...